1. admin@dainikprothomkagoj.com : admin :
রৌমারী চর অঞ্চলের মিশ্র ফসলের চাষে কৃষক স্বাবলম্বী - দৈনিক প্রথম কাগজ
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রৌমারী দূর্ভোগ থেকে রেহাই পেয়ে এমপিকে ধন্যবাদ বিশ্ব সন্ত্রাসী ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রেরণের ব্যবস্থা করতে হবে- মাওঃ আব্দুল আউয়াল রৌমারীতে মুক্তিযোদ্ধাকে হুমকি ও জীবনাশের অভিযোগে মানববন্ধন ফরিদপুরে শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে যশোরে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল রৌমারীতে এলডিডিপি প্রকল্পে অর্থ হরিলুট প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ইসলামী শ্রমনীতি ও আদর্শের আলোকে দেশ পরিচালিত না হওয়ায় রাজনৈতিক নিপিড়ন থামছে না- এইচ এম সাইফুল ইসলাম খুলনায় মহান মে দিবস পালিত-দৈনিক প্রথম কাগজ রৌমারীতে সকল শ্রমিক সংগঠনের মে দিবস পালিত যশোরে ইসলামী আন্দোলন এর পক্ষ থেকে তীব্র তাপদাহে তৃষ্ণার্ত পথচারীদের মাঝে শরবত বিতরণ রৌমারীতে সিএসডিকে নির্বাহী পরিচালক হানিফের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডে থানায় অভিযোগ

রৌমারী চর অঞ্চলের মিশ্র ফসলের চাষে কৃষক স্বাবলম্বী

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৭ Time View

রৌমারী চর অঞ্চলের মিশ্র ফসলের চাষে কৃষক স্বাবলম্বী
আব্দুল খালেক
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
রৌমারী উপজেলার ৭৫% মানুষ কৃষক। কৃষির উপর নির্ভরশীল কৃষকরা। কৃষকরা বিভিন্ন ফসলের চাষ করে সংসারের চাহিদা মিটিয়েও ৪০% ফসল বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বি হচ্ছে চাষিরা। উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের পালেরচর, চর খেরুয়ারচর, চর খেদাইমারীসহ বিভিন্ন চরা লে একই জমিতে এক সাথে ৫টি ফসলের চাষ করে স্বাবলম্বি হওয়ার সম্ভাবনাময় ভাবছেন। উপজেলা বিভিন্ন চরা ল এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা দেছে, একজমিতে এক সাথে ৫ জাতের ফসলের চাষ । ফসলের মধ্যে রয়েছে মরিচ, আখ, তিল, মশুর ডাল, বিভিন্ন জাতের শাখ সবজির চাষ করেছে।
চরা লের কৃষক ওয়াহাব, আব্দুস সবুর, রমজান আলী, করিম উদ্দিনসহ অনেকেই জানান, বন্যার পানি শুকিয়ে যাওয়ার পরপরই একই জমিতে আখ, মরিচ, মশুর ডাল, তিল, শাক সবজিসহ ৫/৬ জাতের মিশ্র ফসলের বীজ এক সাথে রোপন করা হয়। এই ফসলের চারা এক সাথে বড় হয়ে উঠে। প্রয়োজন অনুযায়ী পানির সেচ ও সার প্রয়োজ করা হয়।
পালের চরের মিশ্র ফসল চাষি জিয়া উদ্দিন জানান, প্রতিবছর প্রায় ৪০ শতাংশ জমিতে মিশ্র ফসলের চাষ করা হয়। আমার পরিবার পরিজন নিয়ে এই ৪০ শতক জমির ফসলের উপর নির্ভরশীল। এই জমিতে প্রতিবছর মিশ্র ফসল চাষ করে জীবিকা নিবার্হ করেও আয় করা হচ্ছে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তবে আকাশের গতি অনুকুলে থাকলে আরো বেশী আয় করা সম্ভব। চরা লে কৃষি কর্মকর্তারা কোন সময় আসে না এবং সরকারের পক্ষ থেকে কোন প্রকার সহযোগীতাও করা হয় না। সরকারের সহযোগীতা থাকলে আমরা আরোও স্বাবলম্বি হতে পারতাম।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কাইউম চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, চরা লে প্রায় আড়াশো হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ফসলের চাষ হয়েছে। আকাশ অনুকুলে থাকলে বাম্পার ফলনের পাশাপাশি দামেও পাবে কৃষকরা।
#

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই