1. admin@dainikprothomkagoj.com : admin :
যশোর ৫ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন হুয়ায়ুন সুলতান শাদাব - দৈনিক প্রথম কাগজ
শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রৌমারী দূর্ভোগ থেকে রেহাই পেয়ে এমপিকে ধন্যবাদ বিশ্ব সন্ত্রাসী ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রেরণের ব্যবস্থা করতে হবে- মাওঃ আব্দুল আউয়াল রৌমারীতে মুক্তিযোদ্ধাকে হুমকি ও জীবনাশের অভিযোগে মানববন্ধন ফরিদপুরে শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে যশোরে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল রৌমারীতে এলডিডিপি প্রকল্পে অর্থ হরিলুট প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ইসলামী শ্রমনীতি ও আদর্শের আলোকে দেশ পরিচালিত না হওয়ায় রাজনৈতিক নিপিড়ন থামছে না- এইচ এম সাইফুল ইসলাম খুলনায় মহান মে দিবস পালিত-দৈনিক প্রথম কাগজ রৌমারীতে সকল শ্রমিক সংগঠনের মে দিবস পালিত যশোরে ইসলামী আন্দোলন এর পক্ষ থেকে তীব্র তাপদাহে তৃষ্ণার্ত পথচারীদের মাঝে শরবত বিতরণ রৌমারীতে সিএসডিকে নির্বাহী পরিচালক হানিফের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডে থানায় অভিযোগ

যশোর ৫ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন হুয়ায়ুন সুলতান শাদাব

তহিদুল ইসলাম মণিরামপুর
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৬৪ Time View

যশোর ৫ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন হুয়ায়ুন সুলতান শাদাব

মোঃ তহিদুল ইসলাম মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ-

যশোর (০৫)আসনের আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন প্রায় এক ডজন প্রার্থী। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা যশোর (০৫) আসনের আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেন পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য কে। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোন প্রার্থী দাঁড়াতে না চাইলেও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা ঘোষণা দেন প্রতিটা নৌকার প্রার্থী পাশাপাশি ডামি প্রার্থী রাখার নির্দেশ দেন।এবং আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতারা সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে পারবে এবং সতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন পদক্ষেপ থাকবে না বলে ঘোষণা দেন।তারই পরিপ্রেক্ষিতে যশোর (০৫)আসনের সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা খান টিপু সুলতানের সন্তান হুমায়ুন সুলতান,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলু, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা কামরুল হাসান বারী,বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী সিটি প্লাজার চেয়ারম্যান, ও যশোর জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি এসএম ইয়াকুব আলী,গত ৫ ডিসেম্বর প্রার্থীতা যাচাই বাঁচাই করেন জেলা নির্বাচন কমিশন। যাচাই বাঁচাই বোর্ডে স্কুটিং ত্রুটি থাকায় ৩ জন সতন্ত্র প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল করে জেলা নির্বাচন কমিশন।নৌকার বিপক্ষে আওয়ামী লীগের সতন্ত্র প্রার্থী,
এসএম ইয়াকুব আলী,ও মেজর বনি মনোনয়ন বৈধ হয়।আমজাদ হোসেন লাভলু, হুমায়ুন সুলতান শাদাব, কামরুল হাসান বারী হাই কোর্টে আফিল করেন।আমজাদ হোসেন লাভলুর আপিল শুনানি আজ ১৪ ডিসেম্বর।১৩ ডিসেম্বর হুমায়ুন সুলতান শাদাব এর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন আদালত।হুমায়ুন সুলতানের মনোনয়ন বৈধতার খবর শুনে মণিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রিয় নেতা খান টিপু সুলতানের বিজয় করার লক্ষে মিষ্টি বিতরণ করেন রাজগঞ্জ বাজার,কোনাখোলা বাজার,পৌর এলাকা কামালপুর, হরিহর নগর,চালুয়াহাটী, রহিতা,কাশিমনগর, হরিদাস কাটি, কুলটিয়া,নেহালপুর,ঝাপা,অঞ্চলে বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করেন নেতা কর্মীরা।এবিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা খান টিপু সুলতানের ছেলে হুমায়ুন সুলতান শাদাব গণমাধ্যম কে জানায় আমার বাবা যশোর জেলা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,তিনি জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে বাংলাদেশ কে স্বাধীন করতে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।তিনি শুধু মুক্তি যোদ্ধা ছিলেন না,ততকালীন সময়ে বৃহত্তর জেলা যশোর থেকে সকল মুক্তি যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করিয়েছেন।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে জাতির জনক শেখ মুজিবুর তাকে জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি করেন।আমার বাবা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি যশোর জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকবার সাধারণ সম্পাদক, ও সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন সততার সাথে। এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে যশোর (০৫) আসনের নৌকার মাঝি হিসাবে নিযুক্ত করেন।এবং আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি রাত দিন গ্রামে গ্রামে ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন।তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগ কে প্রতিষ্ঠিত করে সু সংগঠিত করতে তিনি সক্ষম হয়।এক পর্যায়ে খান টিপু সুলতান মণিরামপুর বাসীর প্রিয় নেতা হিসাবে পরিচিতি লাভ করে।সাধারণ মানুষের বিপদে আপদে তিনি পাশে থেকেছেন। তৃণমূলে যাওয়ার সকল কাচা সড়ক পাকা করন সহ অসংখ্য মসজিদ,মন্দির, স্কুল কলেজের উন্নয়ন করেছেন তিনি।আমার বাবা কে ২০১৪ সালে নৌকার মাঝি করে পাঠিয়েছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নৌকার বিপক্ষে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কলস মার্কা নিয়ে স্বপন ভট্টাচার্য নির্বাচন করেন।এবং ততকালীন সময়ে পুলিশ সুপার জয়দেব ভদ্র কে দিয়ে মানুষ কে হয়রানি করে মামলা দিয়ে উস্কে দিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে স্বপন ভট্টাচার্য এমপি হয়।সেই থেকে শুরু হয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীর উপর নির্যাতন। ততকালীন সময়ে যারা আমার বাবার সাথে রাজনীতি করেছেন আমি জানি সবাই কে আমি চিনি না।কারন আমি অন্যান্য এমপি মন্ত্রীর  ছেলের মত কোথায় কখনো নিয়োগ বানিজ্য সিন্ডিকেট সহ অনিয়ম দূর্নীতি করিনি।একটি মানুষ ও বলতে পারবে না আমি নিয়োগ বানিজ্য সহ অনিয়ম দূর্নীতি করেছি।তাই আমার বাবার সাথে থাকা সব নেতা কর্মী কে চিনতাম না।কিন্তু দীর্ঘ ১০টি বছরে আমি চেষ্টা করেছি তাদের খোঁজখবর নিতে।আমি জানি যারা আমার বাবা কে ভালবাসতেন তারা আমাকে নিরাশ করবেন না।তারা তাদের সন্তান হিসাবে কাছে টেনে নিবেন।এবং ২০১৪ সালে আমার বাবাকে যারা পরাজিত করেছিলেন।তারা এই ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাদের প্রিয় নেতা প্রয়াত খান টিপু সুলতান কে জয়লাভ করাতে আমাকে ভোট দিবেন।
আমি জানি মণিরামপুর বাসী আমাকে কখনো পিতৃহীনের কষ্ট টা বুঝতে দিবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সাইট নির্মাণ করেছেন ক্লাউড ভাই